বান্দরবানে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিত্তিহীন ও ভাড়াটে মানুষ দিয়ে মানববন্ধনের প্রতিবাদ

বান্দরবানে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিত্তিহীন ও ভাড়াটে মানুষ দিয়ে মানববন্ধনের প্রতিবাদ

বিশেষ প্রতিনিধি: বান্দরবানের সুয়ালকের জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিত্তিহীন বানোয়াট ও ভাড়াটে ১১ জন মানুষ দিয়ে মানববন্ধনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন জসিম উদ্দিন ও এলাকা বাসী।

কাইচতলি, তুলাতলি, প্রান্তিকলেক ও হলুূদিয়া

এলাকার বাসিন্দারা জানান,জনপ্রিয় ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ: অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

তারা লিখিত ও মৌখিক বক্তব্যে বলেন,

বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রিয় সদস্য (প্যানেল চেয়ারম্যান) ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের বান্দরবান পার্বত্য জেলার সাবেক যুগ্ন সম্পাদক মোঃ জসীম উদ্দিনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রভাব বিস্তার, নানা অনিয়ম-দুর্নীতি, প্রকৃত সুবিধাভোগীদের বঞ্চিত করে ধনীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা, স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে সুবিধা বণ্টন করা এবং বিশেষ করে স্থানীয়ভাবে অবৈধ রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা সহ যে সকল অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ন মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

সুযোগ্য এই ইউপি সদস্যের পেশাগত ও জনপ্রিয়তার ইমেজকে সংকটে ফেলতে এবং রাজনৈতিক ভাবে হেয় করতে তার বিরুদ্ধে হয়রানির উদ্দেশ্যে এমন মারাত্মক রকমের মানহানিকর ও অসত্য অভিযোগ তুলে ধরে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। গত বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বান্দরবান প্রেসক্লাবের সামনে বাড়াটে ১১ জন লোককে উপস্থিত হয়ে একটি পাতানো মানববন্ধনের আয়োজন দেখানো হয়।

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে জনপ্রিয় এই সদস্যের বিরুদ্ধে প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদে দাবী করা হয়েছে যে, উক্ত ইউপি সদস্য দীর্ঘদিন ধরেই ইউনিয়ন পরিষদ (স্থানীয় সরকার) আইন নীতিমালা পরিপন্থী কাজ করে চলেছেন। একই সঙ্গে তিনি প্রায়ই ফৌজদারি অপরাধও করে চলেছেন। রোহিঙ্গাদের ভোটার হতে সহযোগিতার করার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্ট আইন ও ধারায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় অনেকটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন তিনি। এতে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে, প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। এমন সব ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক অভিযোগ আনা হয়।

তবে অনুসন্ধানে আনিত অভিযোগের সঙ্গে ওই ইউনিয়ন পরিষদের সুযোগ্য ও জনপ্রিয় সদস্য (প্যানেল চেয়ারম্যান) জসিম উদ্দিনের কোন সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। প্রকৃতপক্ষে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা করছে।

গণমাধ্যমের সামনে আসা ও আনিত অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জ্ঞাপন করেছেন ওই ইউপি সদস্য। এতে তিনি বলেন, একটি কুচক্রি মহল আমাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে, আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক অভিযোগ এনে বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে চলেছে, যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জ্ঞাপন করছি। একই সঙ্গে মূলধারার গণমাধ্যমগুলোকে বিনয়ের সাথে অনুরোধ করছি অসত্য তথ্যসম্বলিত মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন না করতে।

আইন উপেক্ষা প্রসঙ্গে ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন, দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধা ও অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতি, মাদক, জুয়া, ভূমিদখল, বৃক্ষ নিধন সহ যেকোন অপরাধের প্রতি ঘৃণা রেখেই আমার পথ চলা। এছাড়া আমি একজন নির্বাচিত ইউপি সদস্য। সরকার আমাকে গেজেট দিয়েছে। তাই আইন অনুসারে নিয়ম মেনে নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব থেকে সততা, নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সহিতই সকল কাজ পরিচালনা করে আসছি।

কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো এই যে, সম্প্রতি সমাজের কিছু কতিপয় ব্যক্তি ও আমার প্রতিপক্ষের ইশারায় সম্পূর্ণ মিথ্যা ঘটনার বিবৃতি স্থাপন করে আমার বিরুদ্ধে মারাত্মক রকমের অপপ্রচার চালাচ্ছে। এগুলো কি অপরাধ না? সাইবার নিরাপত্তা আইন সম্পর্কেও সবার জানা উচিত, মানা উচিত। দেখা যাচ্ছেে, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। আমার কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিতে ব্যর্থ হয়ে প্রতিপক্ষের বেঁধে দেওয়া মিথ্যা স্থাপনকৃত অভিযোগ নামে-বেনামে প্রজাতন্ত্রের বিভিন্ন দপ্তরে দাখিল করা হচ্ছে।

একই সাথে গণমাধ্যমে মারাত্মক রকমের মানহানিকর ও মিথ্যা ঘটনার বিবৃতি দেওয়া হচ্ছে। তথ্য যাচাই-বাছাই কিংবা অনুসন্ধান না করেই সেই মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতেই সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে, যা একেবারেই অপ্রত্যাশিত।

অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, যে সকল অভিযোগ আমার বিরুদ্ধে আনা হচ্ছে। এর স্বপক্ষে কোন সাক্ষ্য-প্রমাণ দিতে পারবেনা অভিযোগকারীরা । কেননা অভিযোগের জায়গা গুলোই কাল্পনিক। শুধুমাত্র আমাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার মানসিকতা হতেই আমার বিরুদ্ধে চলমান এই অপপ্রচারের মিশন। না বললেই নয়, মিথ্যা অভিযোগ এনে আমার কাছ থেকে প্রায়ই অনৈতিক সুবিধা চাওয়া হয়। এতে সাড়া না দেওয়ায় সম্প্রতি অনেকটা হয়রানির শিকার হচ্ছি। মূলত এটিই হলো পিছনের গল্প।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, অভিযোগকারিরা ফ্যাসিস্ট সরকারের ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী। তারা ২৪ এর ছাত্র জনতার উপর প্রকাশ্য হামলা ছালিয়েছিলো যার ছবি ও ভিডিও ফুটেজ রেকর্ড রয়েছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *